জানতে চাই সার্চ করুন

পাসপোর্ট আবেদন করার নিয়ম — জানতে চাই

· 6 বার পড়া হয়েছে · সর্বশেষ হালনাগাদ 07 Jul 2026

পাসপোর্ট আবেদন করা এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ এবং ডিজিটাল হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট (e-Passport) ব্যবস্থা চালু রয়েছে, যার মাধ্যমে ঘরে বসেই অনলাইনে অধিকাংশ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। এই নিবন্ধে আমরা ই-পাসপোর্ট আবেদন করার সম্পূর্ণ নিয়মাবলী, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ফি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব।

ই-পাসপোর্ট কী এবং এর সুবিধা

ই-পাসপোর্ট হলো একটি বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, যেখানে একটি ইলেকট্রনিক চিপ সংযুক্ত থাকে। এই চিপে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, আঙ্গুলের ছাপ এবং চোখের আইরিশের তথ্য সুরক্ষিত থাকে। এর প্রধান সুবিধাগুলো হলো:

  • নিরাপত্তা: এতে থাকা তথ্য এনক্রিপ্টেড থাকে, যা জালিয়াতি প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর।
  • দ্রুত ইমিগ্রেশন: ইমিগ্রেশন কাউন্টারে স্বয়ংক্রিয় গেট ব্যবহার করে দ্রুত যাতায়াত করা যায়।
  • আন্তর্জাতিক মান: এটি আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO) নির্ধারিত মান অনুযায়ী তৈরি।
  • কাগজপত্র সত্যায়নের প্রয়োজন নেই: ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো কাগজপত্র সত্যায়ন করার প্রয়োজন হয় না [৮]।
  • ছবি সংযোজনের প্রয়োজন নেই: আবেদন ফরমে কোনো ছবি সংযোজন করতে হয় না, কারণ ছবি পাসপোর্ট অফিসেই তোলা হয় [৮]।

পাসপোর্ট আবেদনের ধাপসমূহ

ই-পাসপোর্ট আবেদন প্রক্রিয়া মূলত অনলাইনে শুরু হয় এবং কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। নিচে ধাপে ধাপে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

ধাপ ১: অনলাইন আবেদন শুরু করা

১. প্রথমে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ই-পাসপোর্ট পোর্টালে প্রবেশ করুন: www.epassport.gov.bd [১, ৫]। ২. "Apply Online for e-Passport / Re-Issue" অপশনে ক্লিক করুন অথবা সরাসরি "Apply Online" বাটনে ক্লিক করুন [৫]। ৩. আপনি যদি নতুন আবেদনকারী হন, তাহলে "I have read the above information and I agree" অপশনটি টিক দিয়ে "Continue to next step" এ ক্লিক করুন। ৪. আপনার বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী দেশ (বাংলাদেশ) এবং জেলা নির্বাচন করুন। এরপর আপনার ইমেইল আইডি এবং একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। আপনার ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন কোড (OTP) যাবে, যা দিয়ে অ্যাকাউন্টটি ভেরিফাই করুন।

ধাপ ২: ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ

১. লগইন করার পর "Apply for a new e-Passport" অথবা "Re-issue of an existing e-Passport" অপশনটি নির্বাচন করুন। ২. আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যেমন: পুরো নাম, লিঙ্গ, পেশা, জন্ম তারিখ, জন্মস্থান, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ (BRC) নম্বর (১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য) সঠিকভাবে পূরণ করুন। আপনার NID বা BRC-এর তথ্যের সাথে যেন সব তথ্য মিলে যায়। ৩. পিতার নাম, মাতার নাম, তাদের NID নম্বর এবং পেশা উল্লেখ করুন। ৪. যদি আপনি বিবাহিত হন, তাহলে স্বামী/স্ত্রীর নাম, NID নম্বর এবং পেশা উল্লেখ করুন।

ধাপ ৩: ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য

১. আপনার বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা সঠিকভাবে পূরণ করুন। গ্রাম/মহল্লা, ডাকঘর, থানা, জেলা এবং বিভাগ উল্লেখ করুন। ২. জরুরি যোগাযোগের জন্য একজন ব্যক্তির নাম, ঠিকানা এবং মোবাইল নম্বর দিন। ৩. পাসপোর্টের মেয়াদ (৫ বছর বা ১০ বছর) এবং পৃষ্ঠার সংখ্যা (৪৮ পৃষ্ঠা বা ৬৪ পৃষ্ঠা) নির্বাচন করুন।

ধাপ ৪: ফি পরিশোধ

১. আপনার নির্বাচিত পাসপোর্টের প্রকার (সাধারণ, জরুরি, অতি জরুরি), মেয়াদ এবং পৃষ্ঠার সংখ্যা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফি প্রদর্শিত হবে। ২. ফি পরিশোধের জন্য অনলাইন (ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং) অথবা অফলাইন (ব্যাংকের মাধ্যমে) পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন। ৩. অনলাইনে ফি পরিশোধ করলে পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করুন। অফলাইনে ফি পরিশোধের জন্য সোনালী ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ঢাকা ব্যাংক সহ অনুমোদিত ব্যাংকগুলোতে চালানের মাধ্যমে ফি জমা দিতে পারবেন [১]। ফি জমার রশিদ যত্ন করে রাখুন।

ধাপ ৫: আবেদনপত্র প্রিন্ট ও কাগজপত্র প্রস্তুত

১. ফি পরিশোধ সম্পন্ন হলে, আপনার পূরণকৃত আবেদনপত্রটি (Application Summary এবং Application Form) ডাউনলোড করে প্রিন্ট করুন। ২. প্রিন্ট করা আবেদনপত্রের সাথে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন। ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো কাগজপত্র সত্যায়ন করার প্রয়োজন হয় না এবং কোনো ছবি সংযোজনও করতে হয় না [৮]।

ধাপ ৬: পাসপোর্ট অফিসে জমা ও বায়োমেট্রিক

১. আবেদনপত্র প্রিন্ট করার পর পাসপোর্ট অফিসে জমা দেওয়ার জন্য একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে পারেন (ঐচ্ছিক, তবে ভিড় এড়াতে সহায়ক)। ২. আবেদনপত্র, ফি জমার রশিদ, এবং সকল প্রয়োজনীয় মূল কাগজপত্র ও সেগুলোর ফটোকপি নিয়ে আপনার নির্বাচিত আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে [২] উপস্থিত হন। ৩. পাসপোর্ট অফিসে আপনার ছবি তোলা হবে, আঙ্গুলের ছাপ এবং চোখের আইরিশের স্ক্যান নেওয়া হবে (বায়োমেট্রিক)। ৪. দায়িত্বরত কর্মকর্তা আপনার কাগজপত্র যাচাই করবেন এবং একটি সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকার নিতে পারেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আপনাকে একটি ডেলিভারি স্লিপ দেওয়া হবে। এটি যত্ন করে রাখুন।

ধাপ ৭: পুলিশ ভেরিফিকেশন (যদি প্রয়োজন হয়)

নতুন পাসপোর্ট আবেদন অথবা ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশন হতে পারে। আপনার বর্তমান ঠিকানায় সংশ্লিষ্ট থানা থেকে একজন পুলিশ কর্মকর্তা আপনার তথ্য যাচাই করতে আসবেন। দ্রুত ভেরিফিকেশনের জন্য সঠিক তথ্য প্রদান করুন এবং সহযোগিতা করুন।

ধাপ ৮: পাসপোর্ট সংগ্রহ

১. আপনার পাসপোর্ট প্রস্তুত হলে আপনি এসএমএস-এর মাধ্যমে জানতে পারবেন। ২. এসএমএস পাওয়ার পর ডেলিভারি স্লিপ এবং আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এর মূল কপি নিয়ে পাসপোর্ট অফিস থেকে আপনার ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

পাসপোর্ট আবেদনের জন্য কিছু নির্দিষ্ট কাগজপত্র প্রয়োজন হয়। বয়স এবং পেশা ভেদে কাগজপত্রের ভিন্নতা থাকতে পারে।

১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য

  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): মূল কপি ও ফটোকপি [৬]।
  • পূর্ববর্তী পাসপোর্ট (যদি থাকে): মূল কপি ও ফটোকপি (পুনরায় ইস্যুর ক্ষেত্রে)।
  • ইউটিলিটি বিলের কপি: বিদ্যুৎ, গ্যাস বা পানির বিলের কপি (বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে)।
  • পেশাগত সনদ (যদি থাকে): যেমন, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে NOC (No Objection Certificate), বেসরকারি চাকরির আইডি কার্ড, ছাত্র হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড।
  • বিবাহ সনদ: যদি বিবাহিত হন এবং স্বামী/স্ত্রীর তথ্য পাসপোর্টে যোগ করতে চান।
  • পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র/অনলাইন মৃত্যু সনদ: মূল কপি ও ফটোকপি [৬]।

১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য

  • জন্ম নিবন্ধন সনদ (BRC): মূল কপি ও ফটোকপি।
  • পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): মূল কপি ও ফটোকপি।
  • পিতা ও মাতার বিবাহ সনদ: (যদি প্রয়োজন হয়)।
  • অভিভাবকের ঘোষণা: পাসপোর্ট আবেদন ফরমে পিতা/মাতার স্বাক্ষর।
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড: (যদি থাকে)।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র

  • TIN সার্টিফিকেট: যদি পেশা হিসেবে ব্যবসায়ী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি উল্লেখ করেন এবং TIN নম্বর থাকে।
  • সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য NOC/GO: সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে অনাপত্তিপত্র (NOC) বা সরকারি আদেশ (GO) প্রয়োজন হতে পারে।

পাসপোর্টের প্রকারভেদ ও ফি

ই-পাসপোর্টের মেয়াদ, পৃষ্ঠার সংখ্যা এবং ডেলিভারির সময় অনুযায়ী ফি ভিন্ন হয়। নিচে একটি আনুমানিক ফি কাঠামো দেওয়া হলো (ফি পরিবর্তনশীল হতে পারে, সর্বশেষ তথ্যের জন্য www.epassport.gov.bd দেখুন):

পাসপোর্টের ধরন মেয়াদ পৃষ্ঠার সংখ্যা সাধারণ ডেলিভারি (২১ কার্যদিবস) জরুরি ডেলিভারি (৭-১০ কার্যদিবস) অতি জরুরি ডেলিভারি (২-৩ কার্যদিবস)
নিয়মিত ৫ বছর ৪৮ পৃষ্ঠা ৪,০২৫ টাকা ৬,৩২৫ টাকা ৮,৬২৫ টাকা
নিয়মিত ৫ বছর ৬৪ পৃষ্ঠা ৬,৩২৫ টাকা ৮,৬২৫ টাকা ১২,০৭৫ টাকা
নিয়মিত ১০ বছর ৪৮ পৃষ্ঠা ৫,৭৫০ টাকা ৮,০৫০ টাকা ১০,৩৫০ টাকা
নিয়মিত ১০ বছর ৬৪ পৃষ্ঠা ৮,০৫০ টাকা ১০,৩৫০ টাকা ১৩,৮০০ টাকা

বিশেষ দ্রষ্টব্য: উপরের ফি শুধুমাত্র বাংলাদেশ থেকে আবেদনের জন্য প্রযোজ্য। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস/মিশন থেকে আবেদনের ক্ষেত্রে ফি ভিন্ন হতে পারে [৩]।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস ও সতর্কতা

  • তথ্য যাচাই: আবেদনপত্র পূরণের সময় আপনার NID/BRC-এর সাথে সকল তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মিলিয়ে নিন। কোনো ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
  • দালাল পরিহার: পাসপোর্ট অফিসের আশেপাশে দালালদের থেকে দূরে থাকুন। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া অনলাইনে এবং সরাসরি অফিসেই সম্পন্ন করা সম্ভব [৪, ৭]।
  • মূল কাগজপত্র সাথে রাখুন: পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার সময় সকল মূল কাগজপত্র সাথে রাখুন, কারণ সেগুলো যাচাই করা হতে পারে।
  • অ্যাপয়েন্টমেন্ট: অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করে গেলে সময় বাঁচবে এবং ভোগান্তি কম হবে।
  • ফি রশিদ: ফি জমার রশিদ যত্ন করে রাখুন। এটি ছাড়া পাসপোর্ট সংগ্রহ করা সম্ভব নয়।
  • সঠিক ঠিকানা: পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আপনার বর্তমান ঠিকানা সঠিকভাবে উল্লেখ করুন।
  • ধৈর্য ধরুন: পাসপোর্ট পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন এবং নিয়মিত স্ট্যাটাস চেক করুন।

আবেদন স্ট্যাটাস চেক করার নিয়ম

আপনার পাসপোর্টের আবেদন কোন পর্যায়ে আছে, তা অনলাইনে সহজেই জানতে পারবেন।

১. www.epassport.gov.bd/authorization/application-status এই লিংকে প্রবেশ করুন। ২. আপনার Application ID (আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর প্রাপ্ত স্লিপে থাকে) এবং Date of Birth (জন্ম তারিখ) সঠিকভাবে পূরণ করুন। ৩. "Check" বাটনে ক্লিক করলে আপনার আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখতে পাবেন।

সহায়ক লিংক

  • ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর: www.passport.gov.bd
  • ই-পাসপোর্ট অনলাইন রেজিস্ট্রেশন পোর্টাল: www.epassport.gov.bd
  • জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ: www.nidw.gov.bd
  • জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন: www.bdris.gov.bd
  • বাংলাদেশ সরকারি সেবা (a2i): www.a2i.gov.bd

সংক্ষেপে

  • ই-পাসপোর্ট আবেদন প্রক্রিয়া মূলত www.epassport.gov.bd ওয়েবসাইটে অনলাইনে শুরু হয়।
  • আবেদনপত্র পূরণ, ফি পরিশোধ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে বায়োমেট্রিক ও তথ্য যাচাইয়ের জন্য যেতে হয়।
  • ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য NID এবং ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ মূল কাগজপত্র হিসেবে প্রয়োজন।
  • পাসপোর্টের মেয়াদ (৫/১০ বছর), পৃষ্ঠার সংখ্যা (৪৮/৬৪) এবং

তথ্যসূত্র

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য কোন ওয়েবসাইটে যেতে হবে?
ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য আপনাকে www.epassport.gov.bd ওয়েবসাইটে যেতে হবে।
পাসপোর্ট আবেদনের জন্য কোন কোন কাগজপত্র প্রয়োজন?
পাসপোর্ট আবেদনের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), জন্ম নিবন্ধন সনদ, পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র, বিবাহ সনদ ইত্যাদি কাগজপত্র প্রয়োজন।
পাসপোর্ট আবেদনের ফি কত?
পাসপোর্ট আবেদনের ফি পাসপোর্টের প্রকার, মেয়াদ এবং পৃষ্ঠার সংখ্যা অনুযায়ী ভিন্ন হয়। সাধারণত ৫ বছর মেয়াদের ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি ৪,০২৫ টাকা।
পাসপোর্ট আবেদনের স্ট্যাটাস কিভাবে চেক করবেন?
পাসপোর্ট আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করতে আপনাকে www.epassport.gov.bd/authorization/application-status ওয়েবসাইটে যেতে হবে এবং আপনার আবেদন আইডি এবং জন্ম তারিখ দিয়ে লগইন করতে হবে।

সম্পর্কিত বিষয়

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে এসেছে?

আরও প্রশ্ন আছে? AI দিয়ে সরাসরি উত্তর পান।

জানতে চাই-তে খুঁজুন